ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের দেশ বেলজিয়াম। উন্নত এ দেশটির ইতিহাস খুবই উত্থান-পতনের। কারণ উভয় বিশ্বযুদ্ধের সময়েই দেশটি জার্মানির দখলে ছিল। বর্তমানে ইউরোপীয় সমাজ ব্যবস্থা, দৃঢ় অর্থনীতি ও মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের জন্য দেশটি আদর্শ হতে পারে। তুলনামূলক কম খরচে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা মিলছে ইউরোপের দেশ বেলজিয়ামে। ভিসা জটিলতাও বেশি নেই। এ ছাড়া স্কলারশিপ ও আয়ের সুযোগ তো আছেই। তাই দেশটিতে বিশেষ করে রাজধানী ব্রাসেলসে বাংলাদেশী ও ভারতীয় অনেক শিক্ষার্থী পড়তে যায়।
আছে স্কলারশিপ নিয়ে পড়ার সুযোগ দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ব্যাচেলর প্রোগ্রামে ভর্তি শুরু হয় সাধারণত সেপ্টেম্বর ও ফেব্রুয়ারিতে। তবে ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে সেশন শুরুর অন্তত দুতিন মাস আগে। বিশ্বের চাকরির বাজারে চাহিদা আছে, এমন সব বিষয়েই পড়ার সুযোগ আছে দেশটিতে। ইউরোপীয় অন্যান্য দেশের মতো বেলজিয়ামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ব্যাচেলর ডিগ্রি কোর্স, মাস্টার্স ডিগ্রি কোর্সসহ পিএইচডি পর্যায়ের বিভিন্ন কোর্স বিদ্যমান। এখানে ব্যাচেলর কোর্সগুলো ৩-৪ বছর মেয়াদি হয়।
বেলজিয়ামের বেশিরভাগ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাচ ও ফ্রেঞ্চ ভাষায় পড়ানো হয়। অনেক প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি মাধ্যমেও পড়া যায়। ইংরেজি মাধ্যমে ভর্তির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে আইইএলটিএস স্কোর ৬.০ থেকে ৬.৫ থাকতে হয়। তবে যেসব শিক্ষার্থী আগের পরীক্ষায় অর্থাৎ 'এ লেভেল' বা সমমানের পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমে অংশ নিয়েছে তারা আইইএলটিএস স্কোর ছাড়াই আবেদন করতে পারবে। বেলজিয়াম সরকার এবং সে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিদেশী শিক্ষার্থীদের প্রতি বছরই স্কলারশিপ দিয়ে থাকে। এর মধ্যে উলেস্নখযোগ্য 'ইউনিভার্সিটি ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন'। প্রতিষ্ঠানটির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে চোখ রাখলেই বৃত্তি সংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে।
ভিসা আবেদন করতে হবে ভারতে : ভর্তি আবেদনের আগে অনলাইনে কাঙ্খিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রক্রিয়া, খরচসহ প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নিন। আবেদন করার পর যোগ্য বিবেচিত হলে শিক্ষার্থীর ঠিকানায় অফার লেটার পাঠানো হয়। এরপরের ধাপেই ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়। বেলজিয়াম সরকারের কনস্যুলেট অফিস বাংলাদেশে থাকলেও কোনো দূতাবাস নেই। তাই ভিসা আবেদন করতে হবে ভারতের নয়াদিল্লির বেলজিয়াম দূতাবাসে।
বছরে খরচ ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা : বেলজিয়ামে পড়াশোনার খরচ তুলনামূলক কম। সব মিলিয়ে বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা খরচ হয়। নন-ইউরোপিয়ান দেশ থেকে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয়ভেদে খরচ হয় ৩ হাজার ৩০০ থেকে ৫ হাজার ইউরো। অবশ্য কলেজে ভর্তি হলে বছরে প্রায় সাড়ে ৫০০ ইউরো কম খরচ হয়। এ ছাড়া প্রতি শিক্ষাবর্ষে নিবন্ধন ফি বাবদ প্রায় ৫০০ ইউরো গুনতে হয়। থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচ হবে মাসে প্রায় ৪০০ থেকে ৬০০ ইউরো।
উল্লেখ্য, প্রতি ইউরো প্রায় ১০৫.৫ টাকার সমান।
খ্যাতনামা কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় :
ব্রাসেলস ইউনিভার্সিটি
ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি অব লোউভাইন
লিমবার্গ ইউনিভার্সিটি সেন্টাম
ইউনিভার্সিটি লির্বে ব্রাসেলস
ভ্রিজে ইউনিভার্সিটি ব্রাসেলস
ইউনিভার্সিটি অব অ্যান্টওয়ারপ
কাজ করার সুযোগ : বেলজিয়ামে বিদেশী শিক্ষার্থী সপ্তাহে ১৫-২০ ঘণ্টা পার্টটাইম কাজ করতে পারে।
দ্রষ্টব্য এটি শুধুমাত্র প্রকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য যারা সত্যিই বিদেশ থেকে বিদেশে পড়াশোনা করতে আগ্রহী। আবেদনকারীরা দৃঢ়ভাবে আমাদের অফিসে :
সরাসরি যোগাযোগ বা মৌলিক তথ্যের জন্য ফোন 01911878274 এ সরাসরি যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়। যদি আপনি আরও যেতে চান তবে পাসপোর্ট সহ আপনার সমস্ত অ্যাকাডেমিক নথির সাথে আমাদের অফিসে যান।
সানরাইজ এডুকেশন কন্সালটেন্টস
ফোন: 01911878২74; 01707272625
ইমেইল: info@sunrise-bd.net
ওয়েবসাইট: www.sunrise-bd.net

No comments:
Post a Comment